ভোট কেন্দ্রে যেতে বাংলাদেশীদের প্রতি প্রার্থীদের আহবান : বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক স্টেট প্রাইমারি

0
122

প্রবাস রিপোর্ট: আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক স্টেট প্রাইমারি। আগামী নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবারে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়নে এই প্রাইমারী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাঝনৈতিক পরিস্থিতিতে মনে করা হচ্ছে ইমিগ্রান্টদের জন্য পরীক্ষা। এ প্রেক্ষিতে ঐ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্তী করা হচ্ছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই অবস্থায় প্রার্থীরা বাংলাদেশী ভোটার যাতে বিপুল সংখ্যায় ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত প্রার্থী বাছাইয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহবান জানিয়েছেন।
এ নির্বাচনে নিউইর্য়ক স্টেট গভর্ণর, পাবলিক এডভোকেট, স্টেট অ্যাসেম্বলীম্যান, স্টেট সিনেটর, এটর্নী জেনারেল, লেফট্যানেন্ট গভর্ণর, বিভিন্ন সাব কমিটির সদস্য নির্বাচনে প্রার্থী চ’ড়ান্ত করা হবে।
নিউইয়র্ক স্টেটে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের সংখ্যা বিপুলভাবে বেড়েছে। অনেকে মনে করেন এই বাংলাদেশী ভোটার সংখ্যা বাড়লেও তারা তাদের ভোটাধিকার প্রযোগ করেন না। এ স্টেটে বাংলাদেশীরা এখনও ¯িøপিং জায়ান্ট। তবে আশার কথা বাংলাদেশীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। বাংলাদেশী কমিউনিটি লিডাররা বিভিন্ন প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করছেন। তারা প্রার্থীদের নিয়ে গণসংযোগ করছেন। বিশেষ করে করছেন গভর্ণর এন্ডু কুমো, পাবলিক এডভোকেট এবং বর্তমানে এটর্নী জেনারেল পদে ল্যাটিশিয়া জেমস, স্টেট সিনেট পদপ্রার্থী সাবেক সিটি কম্পোট্রলার জন ল্যূ, সিনেটর হোসে প্যারেলটা, স্টেট এসেম্বলীওম্যান ক্যাটিলিনা ক্রজ এবং রামোশের পক্ষে। কারণ এ সব প্রার্থী বাংলাদেশী কম্যুনিটির পাশে রয়েছেন বিশেষ করে জন ল্যূ বলতে গেরে বাংলাদেশীদের ঘরের মানুষ মনে করা হয়।
প্রাইমারী নির্বাচনে গভর্ণর পদে নির্বাচন করছেন বর্তমান গভর্ণর এন্ডুু কুমো, সিনথিয়া নিক্সন। অনেকে মতে জরিপে কুমো এগিয়ে। এটর্নী জেনারেল পদে নির্বাচন করার জন্য প্রতিদ্বন্্িদ্বতা করছেন ল্যাটেশিয়া জেমস, প্যাট্রিক মেলোনি, বিচা আর ইভ ও জিফটি টিচাউট। লেফটানেন্ট গভর্ণর পদের জন্য প্রাইমারীতে অংশ নিচ্ছেন ক্যাথি সি চোসেল ও জোমেনি উইলিয়াম। ৩৯ ডিস্টিক্ট থেকে এসেম্বলী-ওম্যান পদে পূনঃনির্বাচন করছেন অ্যারিডিয়া এসপিনাল। ডিস্টিক্ট ১৩ থেকে সিনেটর পদে পূনঃনির্বাচন করছেন হোসে প্যারেলটা। কুইন্সের করোনা, ইস্ট এলমহার্ষ্ট, জ্যাকসন হাইটস এবং উডসাইড ও সংলগ্ন এলাকা। এই ডিস্টিক্টে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী বসবাস করেন।
নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১১- জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউর পূর্ব পাশে থেকে ফ্লাশিংসহ এর আশেপাশের এলাকা। স্টেট সিনেটর ডিস্ট্রিক্ট ১১ থেকে নির্বাচন করছেন জন ল্যূ, টনি এবেলা। জন ল্যূ নির্বাচন সম্পৃক্ত বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম বলেন, জন ল্যূর অবস্থা ভাল। তবে তার প্রতিদ্ব›িদ্ব টনি এ্যাভেলাও শক্তিশালী প্রার্থী। তিনি বর্তমান স্টেট সিনেটর। ঐ আসনে অনেক এশিয়ান ভোটার রয়েছেন। বিশেস করে চীন, হংকংসহ অন্যান্য দেশের মানুষ। যদি এশিয়ানরা ঐক্যবদ্ধ থাকেন এবং বাংলাদেশীরা ভোট দেন তবে অবশ্যই জন ল্যূ জয়লাভ করে আসবে।
স্টেট সিনেটর পদে ডিস্ট্রিক্ট ৩১ থেকে নির্বাচন করছেন সেন্টিয়ানো পিনা, মরিসন আনকেন্টের, রবার্ট জ্যাকসন ও থমসন এ্যালেন। এ্যাসেম্বরীম্যান পদে নির্বাচন করছেন ডিস্ট্রিক্ট ৬৮ থেকে রবার্ট রডয়িার্স, জন রিজ, ডিস্ট্রিক্ট ৬৯ থেকে রুবিনা ভিরো বারসেঞ্জ, ড্যানিয়েল ডে ডোনেল, ডিস্ট্রিক্ট ৭১ থেকে গোলিম এ প্রেজ, লিসা টিজেদ ও আলফার্ড ই টেইলর, ডিস্টিক্ট ৬২ থেকে ইয়োমেরিস স্মিথ, ক্যারম্যান ডি রোসা ও সোসা এ জিমিজ এবং ডিস্ট্রিওক্ট ৭৪ থেকে নির্বাচন করছেন অক্ষয় করুণ ডি ইফটেইন ও জন লাগস এবং ডিস্ট্রিক্ট ৩৯ জ্যাকসন হাইটস থেকে নির্বাচন করছেন ক্যাটেরিনা ক্রুজ।

ডিস্টিক্ট ১৩ থেকে সিনেটর পদে পূনঃনির্বাচন করছেন হোসে প্যারেলটা

হোসে রাফায়েল প্যারেলটা নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্টিক্ট ১৩ থেকে সিনেটর পদে ডেমোক্রাট প্রাইমারীতে পূনঃনির্বাচন করছেন। ২০১০ সালে তিনি এই ডিস্টিক্ট থেকে প্রথমবার স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হন। এরআগে তিনি দীর্ঘদিন স্টেট এসেম্বলীম্যান ছিলেন।

তার নির্বাচনী ডিস্টিক্টে রয়েছে কুইন্সের করোনা, ইস্ট এলমহার্ষ্ট, জ্যাকসন হাইটস এবং উডসাইড ও সংলগ্ন এলাকা। এই ডিস্টিক্টে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী বসবাস করেন। নিউইয়র্ক সিটি ইমিগ্রান্টদের সিটি। এখানে বাংলাদেশীরা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। জ্যাকসন হাইটস-এ একদিকে যেমন বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী বসবাস করছে তেমনি বাংলাদেশীদের সর্ববৃহৎ ব্যাবসায়িক সেন্টারও এই জ্যাকসন হাইটসে।
হোসে প্যারেলটা একজন ডোমিনিকার রিপাবলিক বংশোদ্ভুত আমেরিকান। নিজে একজন ফার্স্ট জেনারেশন ইমিগ্রান্ট হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রান্টদের অধিকার আদায়ে তিনি সবসময়ই সরব। হোসে প্যারেলটা দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী বাংলাদেশীদের খুব কাছের মানুষ হিসাবে পরিচিত। তার এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশীদের যে কোন সমস্যায় তিনি পাশে দাড়িয়েছেন। বিশেষ করে জ্যাকসন হাইটস এলাকায় বাংলাদেশীদের ব্যবসার প্রসার ও নিরাপত্তায় তিনি বরাবরই সক্রিয়।
বুধবার সাপ্তাহিক প্রবাস কার্যালয় পরিদর্শনের সময় তিনি নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে ‘¯িøপিং জায়ান্ট’ হিসাবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশীদের বড় একটি অংশ এখনও আমেরিকার মূলধারা রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় নয়। তারা নির্বাচনে ভোট প্রদানে তেমন আগ্রহী নয়। তবে তাদের সংখ্যা যেভাবে বেড়েছে তারা এখন ডিসাইডিং ফ্যাক্টর হিসাবে আর্বিভূত হতে পারে। এজন্য তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে যেতে হবে।
তিনি বলেন, কাকে ভোট দিচ্ছেন সেটি ভিন্ন প্রসঙ্গ। তবে তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে যেতে হবে। নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে হবে।
সপ্তাহিক প্রবাসের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ইমিগ্রান্টরা একটি দূঃসময় পার করছেন। এই ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট পদে বহাল থাকলে পরিস্থিতি আরো খারাপ তবে। ফলে এই মধ্যবর্তী নির্বাচনই হতে পারে তাকে নিয়ন্ত্রণ করার উপায়। এজন্য ডেমোক্রাটদের নির্বাচিত করার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
বুধবার প্রবাস কার্যালয়ে এক হোজে প্যারালটার আগমনের উপলক্ষে বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়েছিলেন। এদের মাঝে ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ (কুইন্স) এটর্নী মঈন চৌধুরী,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি একক্টিভিস্ট শাহ নেওয়াজ,মুলধারার রাজনীতিবিদ গিয়াস আহমেদ,রুহুল আমিন সরকার, কমিউনিটি একক্টিভিস্ট কাজী আজম, সাংবাদিক মশিউর রহমান মজুমদার, বরিশাল সমিতির সভাপতি লুৎফার রহমান শিরদার (লাতু)।

 

ডিস্ট্রিক্ট ১১ থেকে সিনেটর পদের জন্য লড়ছেন জন ল্যূ

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডেমোক্রাটিক প্রাইমারীতে নিউইয়র্ক স্টেট ডিস্ট্রিক্ট ১১ থেকে সিনেটর পদের জন্য লড়ছেন সাবেক সিটি কম্প্রট্রোলার জন ল্যূ। প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছের মানুষ হিসাবে তার পরিচিতি রয়েছে। বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতারা বলছেন, জন ল্যু প্রবাসী বাংলাদেশী মানুষদের পাশে সবসময় ছিলেন, আগামী দিনেও থাকবেন। একারণেই বাংলাদেশী কমিউনিটি লিডাররা জন ল্যূ-এর নির্বচনী প্রচারনায় নিউইয়র্ক স্টেট ডিস্ট্রিক্ট ১১-এ বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন।

জন ল্যু একজন ইমিগ্রান্ট। ইমিগ্রান্টদের অধিকার আদায়ে তিনি বরাবরই সামনের কাতারের সৈনিক। তিনি বলেন, আমি এই দেশে পাঁচ বছর বয়সে এসেছি। ইমিগ্র্যান্ট হয়েছি। ব্রঙ্কস সায়েন্স স্কুলে আমি, আমার স্ত্রী ব্রæকলীন টেকে, আমাদের সন্তান স্টাইভিসেন্টে পড়াশুনা করেছি। আমরা চেষ্টা করেছি এই দেশের জন্য কাজ করার। এখনও চেষ্টা করছি।
নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১১- জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউর পূর্ব পাশে থেকে ফ্লাশিংসহ এর আশেপাশের এলাকা। ডিস্ট্রিক্ট ১১ এলাকাটি একেবারে ছোট নয়। ডিস্ট্রিক্ট ১১ এ মোট বাংলাদেশী ভোটার সংখ্যা প্রায় ৮০০০। তবে জন ল্যূ মনে করেন এই ৮০০০ ভোটারের মধ্যে মাত্র ১৫০০ বাংলাদেশী ভোটার কেন্দ্রে যান এবং তাকে ভোট প্রদান করেন তবে তার জয় নিশ্চিত। আগে এই এলাকাতে ৬৫ শতাংশ ছিলো হোয়াইট। এখন ৬০ শতাংশ হোয়াইট এই ডিস্ট্রিক্টে বসবাস করছেন।
জন ল্যূ বলেন গত নির্বাচনে আমি মাত্র পাঁচ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলাম। এবার পাঁচ শতাংশ হোয়াইট কমে যাওয়ার কারণে আগের মতো সমস্যা হবে না। ভোটার সংখ্যা বেশী থাকলেও ওই দিন বাংলাদেশী ভোটাররা যেন ভোট দিতে যান। এইজন্য আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। আপনারা আমাকে ভোট দিবেন সেই সঙ্গে অন্যদেরও ভোট দিতে উৎসাহিত করবেন।
তিনি হলসাইড এভিনিউসহ ফ্লাশিংয়ের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে তা নিরাময়ে সচেষ্ট থাকার আশ্বাস দেন। তিনি আগামী দিনে নির্বাচিত হতে পারলে বাংলাদেশী কমিুনিটির জন্য কাজ করার প্রতিশ্রæতি ব্যক্ত করেন।

 

৩৯ ডিস্টিক্ট থেকে এসেম্বলী-ওম্যান পদে পূনঃনির্বাচন করছেন অ্যারি এসপিনাল

নিউইয়র্ক স্টেট এসেম্বলীর জ্যাকসন হাইটস, এলমহার্স্ট ও করোনা এবং তৎসংলগ্ন এলাকা নিয়ে গঠিত ৩৯ ডিস্টিক্ট আসনে প্রাইমারিতে এসেম্বলী-ওম্যান পদে পূনঃনির্বচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন এ আসনের বর্তমান এসেম্বলীওম্যান এবং বহুল পরিচিত কমিউনিটি লিডার, বাংলাদেশীদের কাছের মানুষ হিসাবে অ্যারিডিয়া এসপিনাল। ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসাবে ১৩ সেপ্টেম্বর প্রাইমারী নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করবেন।

বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র হিসাবে জ্যাকসন হাইটস বিপুলভাবে পরিচিত। সেই সাথে ডিস্টিক্ট ৩৯-এ বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী বসবাস করেন। জ্যাকসন হাইটসের একটি অংশ তার নির্বাচনী এলাকার মধ্যে। ফলে এই এলাকায় বাংলাদেশী ভোটাররা নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে অন্যতম নিয়ামক হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন। এসেম্বলীওম্যান হিসাবে বাংলাদেশীদের কাছের মানুষ অ্যারি এসপিনাল।সেই হিসাবে বাংলাদেশী আমেরিকানদের বিশাল একটি অংশ তার পক্ষে যেমন কাজ করছেন তেমনি নির্বাচনে সমর্থন দেওয়ার জন্য এলাকার ভোটারদের প্রতি আহŸানও জানাচ্ছেন। তার পক্ষে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ কমিউনিটির অন্যতম নেতা ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্টিক্ট লিডার এট লার্জ এটর্ণী মঈন চৌধুরী। বাংলাদেশী কমিউনিটি এক্টিভিষ্টরা এসেম্বলীওম্যান অ্্যারি এসপিনালকে পুনঃনির্বাচিত করার জন্য বাংলাদেশী ভোটারদের প্রতি আহবান জানাচ্ছেন।
অ্যারি হিসাবে পরিচিত এসেম্বলীওম্যান অ্্যারিডিয়া এসপিনাল মুলত ডোমিনিকান রিপাবলিক বংশোদ্ভূত আমেরিকান পরিবারের কন্যা। মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকেই তিনি কমিউনিটি অর্গানাইজার হিসাবে কাজ শুরু করেন। তিনি বরাবরই ইমিগ্রান্টদের পক্ষে একজন উচ্চকন্ঠ। সেই সাথে নারী অধিকার ও শ্রমিকদের স্বার্থ নিয়েও তিনি কাজ করেন।
গত সোমবার সাপ্তাহিক প্রবাস পত্রিকা পরিদর্শনকালে এসেম্বলীওম্যান অ্যারিডিয়া এসপিনাল বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত নীতি সারা আমেরিকার ইমিগ্রান্টদের জন্যই অস্বস্তিকর। এই অবস্থায় মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল সকল ইমিগ্রান্টদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই সময় প্রবাস কার্যালয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন এটর্নী মঈন চৌধুরী, ডিস্ট্রিক্ট লিডার পদপ্রার্থী মিষ্টার জর্জ আর ডিক্সন।
তিনি বলেন, নিউইয়র্ক সিটি ইমিগ্রান্টদের সিটি। এখানে বাংলাদেশীরা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আমি খুবই আনন্দিত যে আমার নির্র্বাচনী এলাকার বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী বাস করে। আমার এলাকার মধ্যে জ্যাকসন হাইটস-এর একটি অংশও রয়েছে যেখানে একদিকে যেমন বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী বসবাস করছে তেমনি বাংলাদেশী সর্ববৃহৎ ব্যাসায়ীক সেন্টারও এই জ্যাকসন হাইটসে।
তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশী মানুষদের পাশে আমি সবসময় ছিলেন। আগামী দিনেও থাকবো। নির্বাচনে বাংলাদেশীদের ভোট গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে আখ্যায়িত করে তিনি বাংলাদেশীদের তাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।

‘অ্যারি এসপিনাল’কে কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট মেলিন্ডা কার্টজ ও ডেমোক্রেটিক ডিস্ট্রিক্ট লিডার এটলার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরীর সমর্থন

গত ৫ সেপ্টেম্বর, বুধবার সকাল ১১টার সময় জ্যাকসন হাইটস-এর ডাইভারসিটি প্লাজায় এসেম্বলীম্যান ‘ডেভিড ওয়েপ্রিন’ ও ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরীর আহŸানে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কুইন্স এসেম্বলী ডিস্ট্রিক্ট ‘৩৯’ (করোনা,এলমহার্স্ট, জ্যাকসন হাইটস)-এর ডেমোক্রেটিক প্রাইমারি এর আসন্ন নির্বাচনে এসেম্বলী ওম্যান অ্যারি এসপিনাল’কে কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট মেলিন্ডা কার্টজ এবং এটর্নী মঈন চৌধুরী সমর্থন প্রদান করেন।

আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে ‘এ্যারি এসপিনাল’কে ভোট প্রদান করার জন্য উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সকলের আহŸান জানান। এই সাংবাদিক সম্মেলনে ‘এ্যারি এসপিনাল’-এর সমর্থনে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক্ট লিডার নিতা জেইন, কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ রহমান, জয়নাল আবেদিন, সাবুল উদ্দিন, গুলজার আহমেদ, আব্দুর রহীম হাওলাদার, মানিকা রায়সহ আরো অনেক আমেরিকান, ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানী এবং নেপালী নেতৃবৃন্দগণ উপস্থি ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, বরো প্রেসিডেন্ট মেলিন্ডা কার্টজ জ্যাকসন হাইটস, ইস্ট এলমহার্স্ট, করোনা, এলমহার্স্ট-এর স্টেট সিনেটর হিসেবে হোজে পেরালটাকে সমর্থন জানান। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখেছেন ডিস্ট্রিক্ট লিডার এটলার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরী ও কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট মেলিন্ডা কার্টজ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here