জাতীয় ঐক্যের নেতারা এক মঞ্চে: কর্মসূচিভিত্তিক ঐক্য : সেপ্টেম্বরের শেষে মাঠ গরম হচ্ছে

0
259

 

রফিক মুহাম্মদ: দেশের জনগণের ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দলগুলো আগামীতে জাতীয় ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারে। তারই যেন প্রাথমিক প্রদর্শনী হয়ে গেলে নাগরিক ঐক্যের আলোচনা সভায়। জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বি. চৌধুরী, . কামাল হোসেন থেকে শুরু করে ২০ দলীয় জোটের মির্জা ফখরুল, জেনারেল (অব) ইব্রাহিম পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন বাম ডানপন্থী দলগুলোর কিছু নেতা। কেউ কেউ আবার ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবেন কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বক্তারা কী বলেন তা শুনতে এসেছিলেন। যারা বক্তৃতা করেছেন তাদের সবার কন্ঠে এক আওয়াজ ধ্বনিত হয়েছে। বক্তাদের মুখে যে ঐক্যের সুর এবং উপস্থিতির মধ্যে যে স্পৃহা তাতে মনে হচ্ছে মাস খানেকের মধ্যে ঐক্য প্রক্রিয়ার পালে লাগতে পারে নতুন হাওয়া। সৃষ্টি হতে পারে ঐতিহাসিক রাজনৈতিক মেরুকরণ।

যুক্ত ফ্রন্টগণফোরামের ঐক্য এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। ছাড়া বামপন্থী ৮টি দলের সমন্বয়ে গঠিত বাম গণতান্ত্রিক ঐক্য জোট জাতীয় ঐক্যে সরাসরি যুক্ত না হলেও একই দাবিতে রাজপথে যুগপৎ কর্মসূচী পালন করবে। নূন্যতম পাঁচ দফা দাবির ভিত্তিতে তারা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আলোচনা সাপেক্ষে দাবি সাত দফায়ও রূপ নিতে পারে। ঐক্য প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, চলতি মাসেই নির্বাচন কমিশন পুণর্গঠনের দাবিতে কর্মসূচী নিয়ে মাঠে নামবেজাতীয় ঐক্য নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচী ঐক্যবদ্ধভাবে পালনের মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্যের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। ছাড়া গত বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত এক সেমিনারে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের বক্তব্য থেকেও জাতীয় ঐক্যের প্রাথমিক যাত্রার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

যেসব দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের সিদ্ধান্ত হয়েছে সেগুলো হচ্ছে . নির্বাচনের তফিসল ঘোষনার আগে সংসদ ভেঙ্গে দিতে হবে . নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে . নির্বাচন কমিশন পুণর্গঠন করতে হবে . নির্বাচন কেন্দ্রিক সহিংসতারোধে নির্বাচনের ১০দিন আগে থেকে পরবর্তী ১০দিন ম্যাজিস্টেসি পাওয়ারসহ সেনা মোতায়েন এবং . বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ধরপাকড় পুলিশি হয়রানি এখন থেকে বন্ধ করতে হবে, রাজনৈতিক হয়রানিমূলকভাবে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। প্রাথমিকভাবে দাবিগুলো সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চলতি মাসের শেষের দিকে শুরু হবে। এরপর সময় এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে নতুন কর্মসূচী ঘোষিত হতে পারে।

জাতীয় ঐক্যের অন্যতম উদ্যোক্তা গণফোরাম সভাপতি . কামাল হোসেন জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিষয়ে বলেছেন, আজকের এই সভায় যে উপস্থিতি তাতে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হয়েছে। জাতীয় ঐক্য গড়ার লক্ষে যে আয়োজন তাতে আমি আনন্দিত। নির্ভেজাল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আমেদের এই জাতীয় ঐক্য। এই আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচার থেকে জাতি মুক্তি লাভ করবে। ঐক্যবদ্ধ হলে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। তিনি বলেন, আমাদের সৌভাগ্য যে বাংলাদেশের জনগণ নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন। আমরা এই আয়োজন থেকে বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় ঐক্য গড়ে একটি স্বাধীন, প্রভাবমুক্ত এবং কার্যকরী নির্বাচনের লক্ষ্যে কাজ করে যাবো। বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন হলে তাদের মৌলিক ক্ষমতার প্রমাণ হবে। এজন্য অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন হতে হবে। এইভাবে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা বাংলা ভাষা এবং স্বাধীনতাসহ সকল মৌলিক অধিকার পেয়েছি।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ঐক্য প্রক্রিয়ার আরেক অন্যতম নেতা বিকল্পধারার প্রধান সাবেক প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, বর্তমান স্বৈরাচারে কবল থেকে মুক্ত হতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই। আজকের এই আলোচনা সভা ঐক্যের প্রাথমিক সূচনা ধরে নেয়া যায়। আমাদের প্রধান দাবি নিরপেক্ষ নির্বাচন। নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে গণতন্ত্র হবে না। গণতন্ত্রের মূল শর্ত নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। তার জন্য নির্বাচনের সময়ে এমন সরকার হবে যে সরকার নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। আমরা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই। এসব দাবিতে এবার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু হবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় ঐক্যের আহবান জানিয়ে বলেন, আজকে যারা এখানে এসেছেন, নেতৃস্থানীয় আমাদের বড় ভাইরা এসেছেন। তাদের কাছে এই জাতির দাবি অনেক বেশি। আপনারা এদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সামনে ছিলেন। এই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম আপনারা দিয়েছেন, সেই দেশটি আজ ডুবে যাচ্ছে নিমজ্জিত হচ্ছে। একে তোলার চেষ্টা করুন। সবাই মিলে আসুন আমরা এক সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই বাংলাদেশকে তুলে ধরি। সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সত্যিকার অর্থে একটা নতুন বাংলাদেশ, স্বপ্নের বাংলাদেশ, একাত্তর সালে যে স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম সেই স্বপ্নের বাংলাদেশকে আমরা তৈরি করতে চাই।

জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রব বলেন, দমনপীড়ন করে আর একতরফা একদলীয় নির্বাচন এদেশে হতে দেয়া হবে না। সরকারকে বলতে চাই, এখনো সময় আছে, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। তা না হলে এই জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে যে গণআন্দোলন গড়ে উঠবে তাতে সরকারের শোচনীয় পতন কেউ ঠেকাতে পারবে না।

নাগরিক ঐক্যের আহবায়ন মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই সরকার জুলুমবাজচোর। সারাদেশ লুটেপুটে খেয়েছে। শুরু করেছিলো শেয়ারবাজার দিয়ে, তারপরে ব্যাংক খেয়েছে, মানুষের ব্যবসাপতি বনজঙ্গল, জায়গাজমি,কয়লাপানি পাথর, সোনা সব কিছু খেয়েছে। কোন কিছু বাকী নেই। নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে আমাদের ঐক্য হয়েছে। এই দাবিতে আমরা রাজপথে নামবো অপেক্ষা করুন। সবাই মিলে রাস্তায় নামতে হবে। একবার যদি রাজপথে নামতে পারেন একত্রে তাহলে অত বড় শক্তিধর প্রাণীও ধীরে ধীর তার ফানা নামাবে। সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

এদিকে লন্ডনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্য়িকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে দেশের অন্যান্য সংগঠনগুলোকে এক কাতারে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, বিএনপির পাশপাশি আরো কিছু দল জাতীয় ঐক্যর ডাক দিয়েছেন। যারা ঐক্যের ডাক দিয়েছেন দেশের গণতন্ত্র, সংবিধান রক্ষা, মুক্তিযুদ্ধে আপনাদের অনেক রকমের অবদান রয়েছে। দেশ আজ অপশাসনের কবলে পড়েছে। বিএনপির লাখো লাখো নেতাকর্মী এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করে গণতন্ত্র রক্ষার যে আন্দোলন তিনি শুরু করেছেন তাকে বেগবান করতে। তাদের সহযোগিতা করার জন্য আমি আপনাদের প্রতি আহবান জানচ্ছি।

জানা যায়, জাতীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দেশব্যাপী যৌথ কর্মসূচীর ভিত্তিতে সরকার বিরোধী আন্দোলন চাঙা করার চেষ্টা চলছে। প্রাথমিক অবস্থায় কমিশন ঘেরাও, অবস্থান কর্মসূচীইত্যাদিও মাধ্যমে কর্মসূচী এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি অনুয়ায়ী কর্মসূচীর গতি বাড়ানো হবে।

বিষয়ে জাতীয় ঐক্যের সাথে যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে বাম গণতান্ত্রিক ঐক্যজোটের নেতা গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে কয়েকটি দফা সামনে নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচী ঘোষনা করেছি। এর মধ্যে রয়েছে তফসিল ঘোষনার আগে সংসদ ভেঙে দেয়ার দাবি। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়ার দাবী। নির্বাচন কমিশন পুর্নগঠনের দাবীসহ আরও কয়েকটি সাংবিধানিক সংস্কারের দাবি রয়েছে। আমাদের সব দাবির সাথে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান আমরা জানিয়েছি। এখন যদি এই আন্দোলনের ইস্যু অভিন্ন হয়, অন্যরাও সব ইস্যু নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচী ঘোষনা করেন তাহলেতো যুগপৎ আন্দোলন হতেই পারে। নির্বাচন কমিশন পুর্নগঠনের দাবিতে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর আমাদের কমিশন ঘেরাও কর্মসূচী আছে। এখন যদি অন্যরাও ইস্যুতে কর্মসূচী ঘোষনা করে তাহলে যুগপৎ আন্দোলন হতেতো কোন বাধা নেই।

ঐক্য সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে

নেপালে অনুষ্ঠিত বিমসটেক সম্মেলন শেষে দেশে ফিরে গত রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলন প্রধানমন্ত্রী ঐক্য প্রত্রিয়া সম্পর্কে বেশ কিছু বক্তব্য দেন। এসময় তিনি ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতাদেও বিষয়ে ব্যক্তিগত আক্রমন করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাযুক্তফ্রন্টনামে নতুন গঠিত রাজনৈতিক জোট এর সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনকে নিয়ে সরস মন্তব্য করেন।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মান্না একসময় আমাদের দলে (আওয়ামী লীগ) ছিলেন। তিনি বেশ ভালো লেখেন। যখন আওয়ামী লীগে এলেন, আমি বললাম, যখন অন্য দল করতেন তখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বেশি বেশি লিখতেন। তো এখন আমাদের পক্ষেও কিছু লেখেন। কথা শুনেই মান্না, জুড়ে দেয় কান্না।

. কামাল হোসেন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন; তিনি যখন গরম বক্তৃতা দেবেন, তখন ধরে নেবেন তার প্লেন রেডি।

আমি প্রধানমন্ত্রীকে দেখে কাঁদি: মান্না

প্রধানমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের পর মুখ খুললেন মাহমুদুর রহমান মান্না। বুধবার নাগরিক ঐক্য আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মান্না বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমি কাঁদি। হ্যাঁ, আমি কাঁদি, প্রধানমন্ত্রীকে দেখে কাঁদি। আওয়ামী লীগকে দেখে কাঁদি। আর আমি যদি লিখি, তাহলে চোর বলে লিখতে হবে। লিখতে গেলে শেষ করা যাবে না।

তিনি বলেন, ‘এই সরকার চোর। এই সরকারকে জনগণ আর চায় না। আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাতে হবে। শেয়ারবাজার, বনজঙ্গল, পানি, পাথর, কয়লা, জমিসব খেয়েছে এই সরকার। সরকারকে জনগণ চায় না। জনগণ বোঝে, কাকে কীভাবে শায়েস্তা করতে হয়। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সিলেটে ত্রাস করেছে, খুলনায় করেছে, রাজশাহীতে করেছে। সিলেটে ত্রাস করেও জিততে পারেনি। জনগণ জবাব দিয়েছে।

জবাবে কামাল হোসেন

যুক্তফ্রন্ট নামে নতুন গঠিত রাজনৈতিক জোট এর সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের জবাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন জোটের অন্যতম নেতা . কামাল হোসেন।  তার এবং তাদের জোট সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে তিনি কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে . কামাল হোসেন বলেন, এসব নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। তবে তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা যে নতুন জোটকে স্বাগত জানিয়েছেন সেটা ইতিবাচক।

. কামাল হোসেন বলেন, মানুষ এটা ভালোভাবেই জানে যে ২০০৮ সালে আমরা কী করেছিলাম। আমাদের জোটে যারা আছেন, ২০০৮ সালে নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে তাদের কী অবদান সেটা সবাই জানেন। নতুন জোট চাইছে বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে। যদি জনমত নেয়া যায় তাহলে দেখবেন যে, ১০০ ভাগ সমর্থন এর পক্ষে আছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে গত চারপাঁচ বছরে গণতন্ত্রের কথা বলা হয়েছে কিন্তু সে রকম কিছুই করা হয়নি। মনোনীত লোকজনদের নিয়ে সংসদ বানানো হয়েছে কিন্তু সংসদীয় গণতন্ত্রের নাম গন্ধ কেউ পায়নি।

কামাল হোসেন বলেছেন, ২০০৮ সালে আমরা যা করেছি সেটা তো গোপনে করিনি। আমি মামলা করে সব ভুয়া ভোটার বাতিল করলাম, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করলামএসব উত্তরপাড়ার কোনো ব্যাপার নয়। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনোদিন সম্পর্ক ছিল না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here