ঘরের শত্রæ বিভীষন: কে এই অভিযোগকারী: ট্রাম্প-পেন্স কি মুখোমুখি

0
71

 

প্রবাস রিপোর্ট: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন তার বিশ্বস্ত সহকর্মী থেকে ঘনিষ্ঠ মিত্রসবাইকে চটিয়ে চলেছেন। বলা হয়, কারো মৃত্যুর পর শত্রæ-মিত্র সবাইকে এক সারিতে এনে দেয়। কিন্তু ম্যাককেইনের মৃত্যুতে বরং বিভাজন আরেক দফা বেড়ে গেল যুক্তরাষ্ট্রে। ব্যক্তিগতভাবে তিনি যেমন নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছেন, তার ওপর রীতিমতো ঝড় বইছে। আর তাতে ÐÐ হয়েছেন ট্রাম্প। বেরিয়ে আসছে একের পর এক স্পর্শকাতর সব তথ্য। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রও মিত্র হারাচ্ছে। এর শেষ কবে বা কিভাবে হবে কেউ কি জানে?

এবার স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনেরঅযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন হোয়াইট হাউসেরই নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। বুধবার নিউইয়র্ক টাইমসে হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কর্মকর্তা বেনামে একটি উপসম্পাদকীয় লেখেন।আমি প্রতিরোধের অংশ শীর্ষক ওই উপসম্পাদকীয়তে তিনি লেখেন, ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরে কিছু কর্মকর্তা তার এজেন্ডা তার সবচেয়ে খারাপ প্রবণতাগুলো ব্যর্থ করে দেয়ার জন্য কাজ করছেন। কিন্তু ট্রাম্প বিষয়টি উপলব্ধি করেন না।

 ট্রাম্পের ঘনিষ্টজনেরা বলছেন, বলছেন এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সয়ং ভাইস প্রেসিডেন্ট পেন্স অথবা ভাইস প্রেসিডেন্টের অফিসের কেউ।

কার্ল বার্নস্টাইন, যিনি ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির তথ্য উদ্ঘাটনের জন্য উডওয়ার্ডের সঙ্গে যৌথভাবে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছিলেন, তার প্রকাশিতব্য বই সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, এই বই থেকে প্রমাণিত হয়, ট্রাম্প এখন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। হোয়াইট হাউসের একদল কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের হাত থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব নিজেদের ঘাড়ে তুলে নিয়েছেন। বার্নস্টাইন সিএনএনকে জানান, এই বই পড়ার পর একটা জিনিস স্পষ্ট, আর তা হলো ট্রাম্পের শরীরে আর কোনো কাপড় নেই।

এই মন্তব্য প্রকাশিত হওয়ার মাত্র একদিন পর নিউইয়র্ক টাইমসে একটি বিপর্যস্ত  হোয়াইট হাউস প্রশাসনের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। যেখানে সব সমস্যার মূলে হলো প্রেসিডেন্টের নীতিহীনতা। তার সঙ্গে যারা কাজ করেন, তারা জানেন যে, তিনি এমন কোনো নীতিতে স্থির থাকেন না, যার আলোকে তিনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মিনিটের ব্যবধানেই যে তিনি কোনো সিদ্ধান্ত বদলে ফেলবেন না, এটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেন আর ধরনের অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত না নিতে পারেন সে বিষয়ে হোয়াইট হাউসের  ভেতরেই অনেক কর্মকর্তা কাজ করছেন।

নিউ ইয়র্কটাইমসের উপসম্পাদকীয় নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে। সিনেটর ডিক ডারবিন ওই উপসম্পাদকীয় নিয়ে বলেছেন, প্রেসিডেন্টের কর্মকাÐ নিয়ে যে সব তথ্য দেয়া হয়েছে, আমার কাছে সেগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা আছে। বিশ্বাস করুন, তার মেজাজ হারানো অবস্থায় আপনারা তার আশেপাশে থাকতে চাইবেন না। যখন তিনি দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নিতে যান, তখন সম্ভবত ঈশ্বরই রক্ষা করেন।

বিখ্যাত অনুসন্ধানী সাংবাদিক বব উডওয়ার্ড তারফেয়ার ইন বইয়ে হোয়াইট হাউসের ভেতরের খবর প্রকাশ করার পরের দিনই নিউইয়র্ক টাইমসের বিস্ফোরক উপসম্পাদকীয়, দুদিন ধরে ট্রাম্পের ওপর যেন ঝড় বয়ে চলেছে। টুইটারপ্রিয় এই প্রেসিডেন্ট সাধারণত দাম্ভিকতা নিজের কৃতিত্ব প্রকাশ করার জন্য টুইট করেন। সেই তিনিই টুইট করলেন মাত্র এক শব্দে।  লিখেছেন– ‘বিশ্বাসঘাতকতা?’ এমন পরিস্থিতি যে তৈরি হতে পারে তা যেন তিনি বিশ্বাসই করতে পারছেন না।

উপসম্পাদকীয়র লেখক হিসেবে অভিযোগের আঙুল উঠেছে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের দিকে। তবে ওই উপসম্পাদকীয় সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন পেন্স।

এদিকে ওয়াশিংটন পোস্টের বিখ্যাত সাংবাদিক বব উডওয়ার্ডের নতুন বই, ‘ফিয়ার, ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস, প্রকাশিত হওয়ার আগেই আলোড়ন তুলেছে। এই বই আরও একবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।  এই পর্যন্ত যে আধা ডজনের মতো বই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সংক্ষিপ্ত শাসনকাল বিষয়ে প্রকাশিত হয়েছে, ট্রাম্প তাঁর সমর্থকেরা এগুলোভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তুভয় বইয়ের লেখক এমন একজন সাংবাদিক লেখক, যিনি তাঁর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য দুইদুবার পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছেন। সহযোগী লেখক কার্ল বার্নস্টাইনের সঙ্গে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি বিষয়ে তাঁর ক্রমাগত প্রতিবেদনের কারণে অভিশংসনের মুখোমুখি হয়ে পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট নিক্সন। একজন ভাষ্যকার মন্তব্য করেছেন, তাঁর এই নতুন বইয়ের একপঞ্চমাংশও যদি সত্যি হয়, তাহলে আরও একবার প্রমাণিত হবে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প শুধু অযোগ্যই নন, হোয়াইট হাউসে তাঁর অবস্থান আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক।

এই বইয়ে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহকর্মীরাই ট্রাম্পের যোগ্যতা মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ৪৪৮ পাতার বইটি লিখতে গিয়ে উডওয়ার্ড ১০০ জনের বেশি বর্তমান সাবেক ট্রাম্প কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন, যার অধিকাংশ টেপে ধারণ করা হয়। এই বইয়ের কতগুলো ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। যার মধ্যে হোয়াইট হাউস প্রশাসনে কি চলছে এবং ট্রাম্পের মানষিক অবস্থা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। ঘটনার মধ্য রয়েছে:

. ট্রাম্পের আইনজীবী জন ডাউড নিশ্চিত ছিলেন যে রাশিয়ার সঙ্গে আঁতাতের প্রশ্নে রবার্ট ম্যুলার যে তদন্ত পরিচালনা করছেন, তাতে ট্রাম্প প্রশ্নোত্তরের মুখোমুখি হলে তিনি মিথ্যা বলার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন। হোয়াইট হাউসে তাঁর আইনজীবীরা একটিনকল প্রশ্নোত্তরে ট্রাম্পের উত্তর শোনার পর এতটা বিচলিত হয়ে পড়েন যে তাঁরা ম্যুলারের সামনে গিয়ে সেইনকল প্রশ্নোত্তর পুনরাভিনয় করে দেখান। প্রশ্ন উঠেছে, বিচার বিভাগীয় তদন্তে প্রশ্নোত্তরের যোগ্যতা যাঁর নেই, দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর কী যোগ্যতা থাকতে পারে!

. গত বছর জানুয়ারিতে এক বৈঠকে ট্রাম্প প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিসকে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আলআসাদকে খুন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ম্যাটিস সে পরামর্শ অগ্রাহ্য করেন। একই বৈঠকে ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষায় বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিরোধিতা করেন। সেই বৈঠকের পর ম্যাটিসের মন্তব্য ছিল, ট্রাম্পের বুদ্ধিশুদ্ধি পঞ্চম বা ষষ্ঠ শ্রেণির বালকের মতো।

. হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ জন কেলি ট্রাম্পকে একজনইডিয়ট বা নির্বোধ বলে মনে করেন। ট্রাম্পের ব্যাপারে তাঁর মন্তব্য ছিল, এই লোকটাকে কিছু বোঝানোর চেষ্টা অর্থহীন। কেলির ভাষায়, ‘আমরা সবাই এক পাগলা শহরে রয়েছি।

. তাঁর সাবেক চিফ অব স্টাফ রাইন্স প্রিবাস সম্বন্ধে ট্রাম্পের মন্তব্য, এই লোকটা একটা ধেড়ে ইঁদুর, সারাক্ষণ সে এখান থেকে সেখানে ছুটে বেড়াচ্ছে।

. ট্রাম্প অনেক সময় সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ম্যাকমাস্টারের ব্যবহার নকল করে দেখাতে ভালোবাসতেন। তাঁর ভাষায়, এই লোকটা সস্তা স্যুট পরেন, আর কথাবার্তায় একজন মদ বিক্রেতার মতো।

. ট্রাম্পের একটি প্রিয় অভ্যাস হলো আইনমন্ত্রী জেফ সেশন্সকে অনবরত অপমান করা। তাঁকে ট্রাম্প বিশ্বাসঘাতক এবং স্বল্প বুদ্ধিসম্পন্ন বলে অভিহিত করেছিলেন।

. ট্রাম্প একবার বাণিজ্যমন্ত্রী উলবার রসকে বলেছিলেন, ‘আপনি এখন বুড়ো হয়ে গেছেন, বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে আলোচনায় আপনার অংশ নেওয়ার আর কোনো প্রয়োজন নেই।

. ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যাতে এমন কিছু তিনি না করতে পারেন, সে জন্য হোয়াইট হাউসের স্টাফ সেক্রেটারি রব পোর্টার অর্থনৈতিক উপদেষ্টা গ্যারি কোহন তাঁর অফিসের টেবিল থেকে একটি নথি সরিয়ে রাখেন। কোহন উডওয়ার্ডকে জানান, জাতীয় নিরাপত্তা বিবেচনা করেই তিনি কাজটা করেছিলেন। বলাই বাহুল্য, সে চিঠি চুরি গেছে, ট্রাম্প তা ধরতেই পারেননি। নাফটা চুক্তি প্রত্যাহারের যে নির্দেশ ট্রাম্প দিয়েছিলেন, সেটিও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা টেবিল থেকে সরিয়ে ফেলেন।

হোয়াইট হাউস থেকে উডয়ার্ডের এই বইকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বর্তমান প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত রোষের ফসল বলে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। ট্রাম্প নিজেও বইটি প্রতারণামূলক বলে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এক টুইটে তিনি জানান, উডওয়ার্ড একজন ডেমোক্র্যাট, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তাঁর বই প্রকাশের একটাই উদ্দেশ্য, আর তা হলো ডেমোক্র্যাটদের সাহায্য করা।

উডওয়ার্ড অবশ্য বলেছেন বইয়ের প্রতিটি কথা সত্যি। তাঁর কাছে বিভিন্ন নথি ছাড়াও সাক্ষাৎকারের রেকর্ড রয়েছে। তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের একটি রেকর্ডিংও প্রকাশ করেছেন। সেখানে ট্রাম্প তাঁকে দীর্ঘদিন থেকে চেনেন বলে জানিয়েছেন।আপনি বরাবরই আমার ব্যাপারে ভারসাম্যপূর্ণ ছিলেন,’ ট্রাম্প সেখানে উডওয়ার্ডকে বলেন।

সবাইকে খেপাচ্ছেন ট্রাম্প

এদিকে কাকে বাদ রাখছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? একসময়ের প্রতিদ্বদ্বী সিনেটর জন ম্যাককেইনের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ডেমোক্র্যাট দলীয় সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা রিপাবলিকান দলীয় জর্জ ডবিø বুশ এতে হাজির না হওয়ায় ট্রাম্পকে তিরস্কার করেন।  আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও একের পর এক বিতর্ক সৃষ্টি করে চলেছেন ট্রাম্প। এবার মুক্ত বিশ্বের ধারকবাহক হিসেবে পরিচিত দেশটিকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডবিøউটিও) থেকে প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করছে না বলে অভিযোগ করেছেন ট্রাম্প।

øুমবার্গকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তারা যদি কাজের ধারা পরিবর্তন না করে তাহলে আমি ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন থেকে নাম প্রত্যাহার করব।

বিশ্ববাণিজ্যের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়ম নির্ধারণ করা সেসব নিয়মের বিষয় বিভিন্ন দেশের মধ্যে অন্তর্দ্বেদ্বর সমাধান করার উদ্দেশ্যেই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা গঠন করা হয়েছিল। তবে ট্রাম্পের দাবিবিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্পের বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা থেকে প্রত্যাহারের হুমকির পর প্রেসিডেন্টের বাণিজ্য নীতি আর বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মুক্তবাজার নীতির মধ্যকার আদর্শিক দ্বদ্ব প্রকাশ্যে এলো।

যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা হস্তক্ষেপ করছে এমন অভিযোগও তুলেছেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইথিজার। অপর দিকে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতির সমালোচনা করে আসছেন ট্রাম্প।

চলতি বছরের শুরুর দিকে ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমাদের ছাড়া আর সবাইকে সুবিধা দেয়ার জন্য গঠন করা হয়েছিল বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা। সংস্থার প্রায় সব আইনি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। গত কয়েক মাসে অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্যবিষয়ক নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে বেশ কঠোর অবস্থান নিতে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রকে।

তবে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বাণিজ্যযুদ্ধ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন তুলেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুটি অর্থনৈতিক শক্তি বিশ্ববাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন দেশ থেকে আমাদানি হওয়া অনেক পণ্যের ওপর শুল্ক ধার্য করেছেন ট্রাম্প।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here