বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফলগুলো কোথায় হারাল?

0
153

 

এম তসলিম

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) দেয়া তথ্যের মান নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ বা সন্দেহ রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বিবিএসের কর্মকর্তাদের যোগ্যতা তাদের কাজের মান নিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এগুলো দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান সমস্যা, অথচ বিবিএসের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সামান্যই। ভুল তথ্য দিয়ে একটি অদক্ষ বিবিএস নীতি নির্ধারণে অর্থনীতির যে ক্ষতি করতে পারে, তার চেয়ে একটি দক্ষ বিবিএস সঠিক তথ্য দিয়ে সরকারের ভাবমূর্তিতে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই সরকার সম্ভবত বেশি চিন্তিত।

বর্তমান বিভ্রান্তি তৈরির অন্যতম কারণ হলো, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারের মতো সামষ্টিক অর্থনৈতিক তথ্য (ডাটা), ঋণ, রাজস্ব, আমদানিরফতানি ইত্যাদির মতো অন্যান্য তথ্য পরিসংখ্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হচ্ছে না। অথচ এগুলো প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হওয়ার কথা। উল্লেখযোগ্য, ঋণ, আমদানিরফতানি, কর রাজস্ব ইত্যাদি তথ্য কিন্তু বিবিএস সরবরাহ করে না; করে সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, যেমনÍ বাংলাদেশ ব্যাংক, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো অথবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। প্রতিষ্ঠানগুলো স্বল্প বিলম্বে হাইফ্রিকোয়েন্সি ডাটা (মাসিক) সরবরাহ করে, যা অধিক নির্ভরযোগ্য। এদের প্রদত্ত বেশির ভাগ ডাটা সহজে ক্রস চেক করা যেতে পারে। যেমনÍ বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া সামগ্রিক ব্যাংকঋণ ডাটা প্রতিটি ব্যাংকের ঋণ ডাটার সঙ্গে ক্রস চেক করা যেতে পারে। এতে যেকোনো ধরনের অস্বাভাবিক অসঙ্গতি দ্রæ ধরা পড়ে এবং তা শুধরানো যায়।

আন্তর্জাতিক ট্রেন্ড এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যয়ের ওপর সাম্প্রতিক তথ্যসহ উল্লিখিত হাইফ্রিকোয়েন্সি ডাটার মতো প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্যের ওপর ভর করে স্থানীয় বিদেশী বিশেষজ্ঞরা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে পূর্বাভাস দেন। কিন্তু কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, এসব পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে বিবিএসের চূড়ান্ত প্রাক্কলনের তুলনায় কম হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাসে সিস্টেমেটিক ননর্যামডম এরর বিবিএস তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ এমনও সন্দেহ করছেন যে, জাতীয় হিসাব ডাটায় ইচ্ছাকৃত কারসাজি করা হয়েছে।

কেন বিশেষজ্ঞদের এমন ভুল হতে পারে, তা নিয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যার অনুপস্থিতি সন্দেহকে এখন প্রায় বিশ্বাসে পরিণত করেছে। এটি একটি অপ্রয়োজনীয় পরিহারযোগ্য পরিস্থিতি, যা বিশ্লেষণ তথ্যভিত্তিক নীতি তৈরির মানে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। অবস্থা থেকে উত্তরণে সংশ্লিষ্ট মহলের তথ্যনির্ভর ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

মাইক্রো লেভেল ডাটা

একটি বিষয় অনেকটা অগোচরে থেকে গেছে যে, জাতীয় হিসাবের প্রাক্কলন কিছু ব্যষ্টিক (মাইক্রো লেভেল) ডাটার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অথচ এসব মাইক্রো লেভেল ডাটা থেকে দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ভালোভাবে জানা যায়। খানার বা পারিবারিক আয়, ব্যয় আনুষঙ্গিক বিষয়াদি নিয়ে বিবিএস প্রতি পাঁচ বছরে একটি ব্যাপক পুঙ্খানুপুঙ্খ জরিপ পরিচালনা করে। এক বছর বিলম্বে ২০১৬ সালে করা হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেনডিচার সার্ভের (এইচআইইএস ২০১৬) প্রাথমিক রিপোর্ট সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে, যা পরিবারের আকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ব্যয় ইত্যাদির মতো বিভিন্ন পারিবারিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে মাইক্রো লেভেল ডাটা সংগ্রহ করেছে।

যেহেতু দেশের সব মানুষই অন্তর্ভুক্ত, তাই সার্ভে ডাটা মাত্র অল্প কিছু সামষ্টিক নিয়ামকের জাতীয় হিসাবের ডাটার তুলনায় দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান সম্পর্কে সঠিক তথ্যদানে বেশি প্রাসঙ্গিক। টাইম সিরিজ ক্রস সেকশন ডাটাÍ উভয়ের জন্যই এইচআইইএস একটি সমৃদ্ধ উৎস, যা বিভিন্ন গবেষণা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।

পারিবারিক আয় ভোগ

পারিবারিক আয় ভোগের যে চিত্র এইচআইইএস ২০১৬তে দেয়া হয়েছে, তা সারণিতে দেখানো হলো। ২০১০ সালে করা শেষ এইচআইইএসের পর নামিক আয় ভোগ উভয়ই বেড়েছে প্রায় দুইপঞ্চমাংশ। জরিপের ফলাফল ঘোষণার সময়ে এটা প্রচার পেয়েছে। কিন্তু স্মর্তব্য যে, পারিবারিক নামিক আয় এর ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট সম্পর্ক নেই। প্রকৃত আয়ে ক্রয়ক্ষমতা ধরা পড়ে। একইভাবে ভোগের প্রকৃত পরিমাণের ধারণা পাওয়া যায় প্রকৃত ভোগের মাধ্যমে। ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) দ্বারা নামিক হিসাব বস্ফীিত করার মাধ্যমে প্রকৃত আয় ভোগ প্রাক্কলিত হয়।

একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার নির্দেশিত হয় প্রকৃত জাতীয় আয় (বা উৎপাদন) প্রবৃদ্ধির হারের দ্বারা। পারিবারিক আয় ভোগের আনুমানিক প্রকৃত মান সারণির কলামে দেখানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রতীয়মান যে, নামিক হিসাবের তুলনায় প্রকৃত হিসাব একটি ভিন্ন প্যাটার্ন নির্দেশ করছে। ২০১০ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে পারিবারিক প্রকৃত আয় আদতে কমেছে ১১ শতাংশ। একই সময়ে প্রকৃত ভোগও কমেছে প্রায় একই হারে।

কিন্তু বিবিএসের জাতীয় হিসাব পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের প্রকৃত জাতীয় আয় ২০০৯১০ থেকে ২০১৫১৬ সালের মধ্যে বেড়েছে ৪২ শতাংশেরও বেশি, যে সময় প্রকৃত মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৩১ শতাংশ। অন্যভাবে বললে, জাতীয় পর্যায়ে গড়ে মোট জনসংখ্যার প্রতিটি সদস্য ছয় বছরে প্রকৃত আয় ৩১ শতাংশ বাড়াতে অবদান রেখেছে। আয়ের বৃদ্ধির সঙ্গে একই হারে বেড়েছে প্রকৃত মাথাপিছু ভোগ।

সম্পূর্ণ বিপরীতে এইচআইইএস ২০১৬ অনুযায়ী পারিবারিক পর্যায়ে প্রতিটি ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে আয় করেছে (পারিবারিক আয় পারিবারিক আকার দিয়ে ভাগ করে পাওয়া) ২০১০ সালের আয়ের তুলনায় শতাংশ কম এবং ভোগের জন্য প্রত্যেকের প্রকৃত ব্যয় কমেছে প্রায় শতাংশ।

মাথাপিছু আয় ভোগে পরিবর্তনের যে তথ্য জাতীয় হিসাবের ডাটা থেকে পাওয়া যায়, তা এইচআইইএস ২০১৬ সালের দেয়া তথ্যের বিপরীত। এইচআইইএস জাতীয় হিসাবের মধ্যে পার্থক্য এত বেশি যে, এটিকে সাধারণ পরিসংখ্যানগত ভুল বা হিসাবের ভিন্ন পদ্ধতির তারতম্য হিসেবে গণ্য করা বেশ কঠিন।

লক্ষণীয়, ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ডাটায় কোনো বড় ধরনের অসঙ্গতি নেই। এইচআইইএস ২০১৬ ডাটা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করছে যে, পুরো জনসংখ্যা নিয়ে গঠিত পরিবার খাত ২০১০ থেকে ২০১৬ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লভ্যাংশ পায়নি; যা স্বাভাবিকভাবে তাদের মধ্যেই বণ্টিত হওয়ার কথা। জাতীয় আয়ে সরকারি রাজস্বের অংশও সময় বাড়েনি।

তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফলগুলো কোথায় হারিয়ে গেল? পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের (যারা বিবিএসের  তত্ত¡াবধান করে) উচিত জাতির কাছে অসঙ্গতির একটি যুক্তিনির্ভর ব্যাখ্যা দেয়া।

পুষ্টি ঘাটতি

মাথাপিছু প্রকৃত আয় কমার সম্ভাবনার বিষয়টি এইচআইইএস ২০১৬ পুষ্টিতথ্য থেকেও অনুমান করা যায়। বৈশ্বিকভাবে আয় ক্যালরি গ্রহণের মধ্যে একটি শক্তিশালী পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। দরিদ্র দেশগুলোর মানুষের তুলনায় ধনী দেশগুলোর নাগরিকরা বেশি পুষ্টি গ্রহণ করে। আগের এইচআইইএস ডাটাও বলছে যে, দেশের ধনী লোকেরা দরিদ্র লোকের তুলনায় বেশি ক্যালরি গ্রহণ করে। অর্থাৎ আয় বাড়লে ক্যালরি গ্রহণ বাড়ে এবং আয় কমলে ক্যালরি গ্রহণ কমে। এইচআইইএস ২০১৬তে পাওয়া একটি উদ্বেগজনক তথ্য হলো, প্রকৃত আয় কমার সঙ্গে সঙ্গে গড়ে জনপ্রতি ক্যালরি গ্রহণের হার ২০১০ সালের হাজার ৩১৮ কিলোক্যালরি (কপধষ) থেকে শতাংশ কমে ২০১০ সালে হাজার ২১০ কিলোক্যালরিতে দাঁড়িয়েছে।

এফএও এবং ডবিøউএইচওর করা এক যৌথ গবেষণায় বলা হয়েছে যে, গড় ক্যালরি গ্রহণের হার হাজার ৪৩০ ক্যাল হওয়া উচিত (কান্ট্রি নিউট্রিশন পেপার ২০১৫) ২০১০ সালে দৈনিক ক্যালরি গ্রহণের হারই ছিল সুপারিশকৃত হারের চেয়ে শতাংশ কম, ২০১৬ সালের আরো শতাংশ হ্রাস অনিবার্যভাবে শিশুদের স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধির অপর্যাপ্ততাসহ সাধারণ মানুষের ভগ্ন স্বাস্থ্যের বিষয়টি নির্দেশ করে। এটি দেশের ভবিষ্যতের জন্য মঙ্গলজনক নয়: দুর্ভাগ্য যে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা গ্রহণের যে সীমিত সময়ের ঐতিহাসিক সুযোগ এখন তৈরি হয়েছে, তা পুরোপুরি কাজে লাগানোর জন্য দেশের জনগণ স্বাস্থ্যগতভাবে সম্পূর্ণ উপযুক্ত নয়।

বিবিএসের আরেকটি গবেষণারিভিশন অ্যান্ড রিবেসিং অব ওয়েজ ইনডেক্স (ডবিøউআরআই) ফ্রম ১৯৬৯৭০ টু ২০১০১১তে আয় কমার বিষয়টির ইঙ্গিত রয়েছে। গবেষণার তথ্য বলছে যে, অনানুষ্ঠানিক খাতে সাধারণ শ্রমিকদের (যারা মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ) প্রকৃত মজুরি ২০১০১১ থেকে ২০১৪১৫এর মধ্যে দশমিক শতাংশের বেশি কমেছে। যেহেতু পারিবারিক আয়ের একটি বড় অংশ মজুরি, তাই এই হ্রাস নিশ্চিতভাবেই পারিবারিক আয়ের ওপর নিম্নমুখী প্রভাব ফেলেছে। এটা ২০১৬ সালের জরিপের প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

জিনি সহগ

এইচআইইএস ২০১৬ প্রতিবেদনের আরেকটি উদ্বেগজনক তথ্য হলো, জিনি সহগের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। শ্রমমজুরসহ দরিদ্রদের ক্ষেত্রে আয়বৈষম্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১০ সালে মোট আয়ের মধ্যে দরিদ্রতম একপঞ্চমাংশ পেয়েছে দশমিক ৭৮ শতাংশ। কিন্তু ২০১৬ সালে অংশ অর্ধেকেরও বেশি কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র দশমিক ২৪ শতাংশে।

অন্যদিকে একই সময়ে শীর্ষ শতাংশ পরিবারের অংশ ২৪ দশমিক থেকে বেড়ে হয়েছে ২৭ দশমিক শতাংশ। দেখা যাচ্ছে, গত ছয় বছরে অসহায় দরিদ্রতম জনসংখ্যাকে বঞ্চিত করে ধনীদের সম্পদ বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য গতি পেয়েছে। এর আগের পাঁচ বছরের ট্রেন্ড উল্টে গেছে এইচআইইএস ২০১৬তে প্রাপ্ত তথ্যে।

জিনি সহগ ২০০৫ সালের শূন্য দশমিক ৪৬৭ থেকে কমে ২০১০ সালে শূন্য দশমিক ৪৫৮ হয়েছিল, যা অধিকতর সাম্যের দিকে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত বহন করেছিল। কিন্তু আশা অঙ্কুরেই নষ্ট হয়ে গেছে। ২০১৬ সালে জিনি সহগ বেড়ে হয়েছে শূন্য দশমিক ৪৮৬, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। অবনতি বাংলাদেশকে বিশ্বের সবচেয়ে কম সাম্যবাদী দেশগুলোর কাতারে শামিল করে দিয়েছে।

আশ্চর্যজনক হলো, যখন ২০১০২০১৬ সালের মধ্যে পারিবারিক ক্ষেত্রে মাথাপিছু প্রকৃত আয় কমেছে এবং জিনি সহগ আরো খারাপের দিকে গেছে, তখন আবার দেশের সামগ্রিক দারিদ্র্যের হার ৩১ দশমিক থেকে বিপুলভাবে কমে দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক শতাংশে! অস্বাভাবিক তথ্য ব্যাখ্যার অপেক্ষা রাখে।

বিবিএসের জাতীয় হিসাব থেকে পাওয়া তথ্য বাংলাদেশকে একটি স্থিতিশীল উচ্চকর্মক্ষম গতিশীল অর্থনীতি হিসেবে তুলে ধরেছে। কিন্তু এর এইচআইইএস ২০১৬এর পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশ একটি নিষ্প্রভ অর্থনীতি, যেখানে পারিবারিক খাত (পুরো দেশবাসী) উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুবিধাপ্রাপ্তি থেকে সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হয়েছে। বিবিএসের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা দুই ধরনের ডাটার এমন বিপরীতমুখী চিত্র বিবিএসের ডাটার মান নিয়ে উদ্বেগ সন্দেহ আরো গভীর করেছে। যদি বৈপরীত্যের কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না মেলে, তবে প্রতিষ্ঠানটির বিশ্বাসযোগ্যতা আরো হ্রাস পাবে।

লেখক: অর্থনীতিবিদ

অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here