প্যারেড, মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা,পুষ্পার্ঘ্য অর্পণসহ দিনব্যাপী কর্মসূচী ঘোষণা

0
358

 

নিউইয়র্ক: স্মৃতিসৌধ পুষ্পার্ঘ অর্পন, বর্ণ্যাঢ্য প্যারেড, মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা, শিশু কিশোরদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধে চিত্র প্রদর্শনী, প্রবাসের মুক্তিযোদ্ধা এবং একাত্তরের আমেরিকান সহযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ, স্বাধীনতার কবিতা পাঠ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের ৪৬তম বার্ষিকী পালন করবে। জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় ও জ্যাকসন হাইটসের একটি স্কুলে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত স্বাধীনতা দিবসের এইসব কর্মসূচীর আয়োজন করা হবে।

এদিকে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতি উপলক্ষে ৩ মার্চ মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের এক সভা হয়েছে। উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক তাজুল ইমামের সভাপতিত্বে এই সভায় অংশ নেন কমিটির সদস্য সউদ চৌধুরী, হসান ফেরদৌস, ফেরদৌস সাজেদীন, ফাহির রেজা, নুর, আদনান সৈয়দ, সেমন্তী ওয়াহেদ, তানভীর রাব্বানী, ওবায়দুল্লা মামুন, মোশাররফ হোসেন, রানু ফেরদৌস, নাসরীন চৌধুরী, সাবিনা হাই উর্বি, মনজুর কাদের, মিশুক সেলিম, রুশো, বিশ্বজিত সাহা প্রমুখ। সভায় দিবসটি পালনের লক্ষে  বিভিন্ন বিষয়ে তাদের নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন অংশগ্রহনকারীরা।

 

সভায় সর্মসম্মতভাবে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৬ মার্চ সকাল ১১টা থেকে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ছবি অংকন প্রতিযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধের ওপর রচনা প্রতিযোগতিা অনুষ্ঠিত হবে। রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারীদের বাংলা ও ইংরেজী যে কোন ভাষায় সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে জ্যাকসন হাইটরেস ডাইভার্সিটি প্লাজায় জমা দিতে বলা হয়েছে। বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে বলে কমিটি জানিয়েছে। এর দায়িত্বে রয়েছেন রানু ফেরদৌস ও নাসরিন চৌধুরী।

নিউইয়র্কের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে মুক্তিযুদ্ধের ওপর গান, আলেখ্য অথবা নৃত্যানুষ্ঠান করার জন্য আহ্বান জানানো হয়। এ বিষয়ে দায়িত্বে রয়েছেন, তাজুল ইমাম ও সউদ চৌধুরী। এ উপলক্ষে ৪৬ জন কবি ও আবৃত্তিকার স্বাধীনতার কবিতা পাঠ করবেন এবং এ অংশের দায়িত্বে রয়েছেন মনজুর কাদের। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সহযোগিতায় চিত্র প্রদর্শনী হবে।

আহ্বায়ক তাজুল ইমাম জানান, প্যারেডের শুরুতে থাকবে বিশাল আকৃতির একটি শাপলা ফুল। ৪৬তম স্বাধীনতা দিবসে ৪৬টি বেলুন ওড়ানো ছাড়াও দিনব্যাপী ডায়ভারসিটি প্লাজায় একখন্ড বাংলাদেশ সাজিয়ে তোলার সকল প্রস্তুতি চলছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানীরা ছাড়াও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, স্বায়ী প্রতিনিধি, কনসাল জেনারেল,একাত্তরের মার্কিনসহ-যোদ্ধাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গত বছরের মত এবছরও নিউইয়র্কের সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর নাম অন্তর্ভুক্ত হবে ইংরেজী বর্ণমালার অক্ষর অনুসারে। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সকলে এর সাথে সস্পৃক্ত হতে পারবে। যারা যুক্ত হবেন সকলেই এর গর্বিত অংশীদার হিসেবে স্টেজের পেছনের ব্যাকড্রপে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হবে বলেও সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আগামি ২০ মার্চের মধ্যে ৬৪৬-২৮৬-১৬০২ এবং ৩৪-৬৫৬-৫১০৬ নম্বরে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here